Saturday, May 11, 2013

 MY childhood

ছোটবেলায় বাংলা সিনেমার পাগল ছিলাম।
সিনেমা বলতে শুক্রবার বিটিভিতে।সারা সপ্তাহ
অপেক্ষা করতাম কখন শুক্রবার আসবে।বৃহস্পতিবার
রাতেই টিভিতে ঘোষনা দিত শুক্রবার
বিকালে কি সিনেমা দিবে।সেটা প্রায় সময় মিস হয়ে যেত।
শুক্রবার সিনেমা দেখতেই হবে,আবার ক্রিকেটও খেলতেই
হবে।তাই সেদিন খেলা শুরু করতাম সকালে।সেখানে আবার
বিপত্তি।কারন আমার বড় আপু আবার
সকালে আমাকে পড়াতে বসাবেন।আমি কি আর মানি?
পড়তে বসতাম ঠিকই,কিন্তু আপু এদিক ওদিক গেলেই
পলায়ন।ডাইরেক্ট মাঠে।
যখন ফিরতাম তখন জুমআর নামাজেন সময় হয়ে যেত তাই
মারার সময় পেতনা।

নামাজ পড়ে এসে কোনমতে ভাত
খেয়ে টিভিটা খুলে বসতাম।কোরআন তেলোয়াত,ত্রিপিটক
পাঠ সব দেখতাম।যখনই উপস্থাপক এসে ঘোষনা দিত
“এখন দেখবেন পূর্ণদৈঘ্য
বাংলা সিনেমা…………….”শ্রেষ্টাংশে……..নায়ক
রুবেলে নাম শুনলে আর কথা নাই।সবাই মিলে দিতাম
চিল্লানি।এখন বাংলাদেশ জিতলেই কেবল এমন চিল্লাই ৷

মাঝে মাঝে এসব সিনেমার বাইরে মাঝে অন্যধরনের
ছবি দিত। যেগুলার মূল্য এখন বুঝি তখন সেসব
সিনেমা দিলে খুব বিরক্ত হতাম।কোন মারামারি নাই।
টিভি কতৃপক্ষের বিবেক দেখে অবাক
হতাম,কি যে ছবি ছাড়ে?সেসময় আমার প্রিয় নায়ক ছিল
নায়ক রুবেল, শত্রু অভিনেতা ছিল রাইসুল ইসলাম আসাদ।
দুখাই নামের একটা সিনেমা মাঝে মাঝে শুক্রবারে দিত।
সেদিন আমার শুক্রবারটাই মাটি হত।খালি কান্দে।

এবার আসি আমার প্রিয় নায়ক রুবেল প্রসঙ্গে।কেডস আর
জিনস পড়ে খালি মারামারি করত।কি সে মারামারি।
একটা একটা মাইর দিত আর
আমরা ছেলে পেলেরা তালি দিতাম।তখন নায়ক জসিমও
বেশ মারামারি করত।আমার চাচাতো ভাইয়েরা প্রায়
আলোচনা করতাম রুবেলের শক্তি বেশী না জসিমের
শক্তি বেশী।কতদিন আমরা নিজেরা নিজেরাই রুবেল আর
জসিমের মারামারি খেলতাম।আমার চাচাতো ভাই জসিম
আমি রুবেল।কিন্তু আমি শক্তিতে পারতাম না।তাই
সেখানে রুবেল হেরে যেত।

আমরা যেখানে মারামারি নিয়ে ব্যাস্ত সেখানে আমার
আপুরা শাবানার কান্না কাটি নিযে ব্যাস্ত।"মরনের পরে"
নামক একটা সিনেমা ছিল যেটা দেখে আমার ছোট আপু খুব
কান্না করছিল।আমার আবার কান্না আসত না।রুবেলের
ঢিসুম ঢিসুমই মজা লাগত।সিনেমা দেখার পরবর্তী ১
ঘন্টা নিজে নিজে ঢিসুম ঢিসুম করতাম।দৌড়াতাম, উচু
জায়গা থেকে লাফ দিতাম।নিজেকে নায়ক নায়ক মনে হত।

তবে সে সময় একটা বিষয় হেভি রহস্য লাগত আনোয়ার
হোসেন সাহেব প্রতি সিনেমার প্রথমে কেন মারা যেত?

ইলয়াস কাঞ্চনের সিনেমাও খুব পছন্দ করতাম।সাপের
ছবি দেখে ভাবতাম ইস যদি আমি সাপ হতে পারতাম,
কি মজাটানা হত।কিছুক্ষন মানুষ,কিছুক্ষন সাপ।আমার
একবন্ধুকে খুব অপছন্দ করতাম।তারে কামড় দেয়ার অনেক
ইচ্ছা ছিল।

সিনেমা দেখলেতো হবে না।পরদিন স্কুলে গিয়ে বন্ধুদের
আলোচনা করতে হবে না।সে এক কঠিন আলোচনা।
আমরা এক একটা চলচ্চিত্রের সমালোচক।যেসব সিনেমায়
গান বেশী দিত,প্রেমের দৃশ্য বেশী থাকতো সেসব সিনেমার
নায়কদের তীব্র সমালোচনা করতাম।
মারামারি পারে না আবার নায়ক হতে আসছে।কত বড়
বেআক্কেল।ওয়াসিম নামের এক নায়ক ছিল সে একদম
মারামারি পারত না।তার সিনেমা দেখলেই মেজাজ খারাপ
হয়ে যেত।

আজও শুক্রবার আসে।কিন্তু সে শুক্রবারের সাথে আজকের
শুক্রবারের দূরত্ব অনেক।আমরা ফেসবুকে ব্যাস্ত,সময়
পেলে বাংলা সিনেমার চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করি।কিন্তু
আমার ছোটবেলার মহা আনন্দের বাংলা সিনেমার
সাথে কি ফেসবুকের মজার কোন তুলনা হয়???
# যখন কেউ খুব ছোট ছোট বিষয় নিয়ে অকারণে হাসাহাসি করে, বুঝে নিবেন ব্যাক্তিটি নিজের ব্যাক্তিগত জীবনে খুবই বিষণ্ণতায় আছে।

# যখন কেউ খুব ঘনঘন ঘুমায়, বুঝে নিবেন সেই ব্যাক্তিটি খুব একাকিত্বের মধ্যে আছে।

# যখন দেখবেন সাধারনত কম কথা বলে এমন কেউ খুব তারাতাড়ি কথা বলছে, বুঝে নিবেন সে কিছু গোপন করছে।

# যখন কেউ খুব দুঃখের সময় কাঁদতে পারে না, বুঝে নিবেন সে মানসিকভাবে খুবই দুর্বল।

# যখন দেখবেন কেউ খুবই ছোট ছোট বিষয়ে কেঁদে ফেলে, বুঝে নিবেন সে খুব নরম ও পবিত্র হৃদয়ের অধিকারী।

# যখন দেখবেন কেউ খুবই ছোট ও ফালতু বিষয়ে রাগা- রাগি করছে, বুঝে নিবেন সে প্রেমে পরেছে বা প্রেম বিষয়ক কোন ঝামেলায় আছে।

কথাগুলো ভালো লাগলে শেয়ার করুন আপনার প্রিয়জনদের সাথে।

ভালো থাকবেন, ভালো রাখবেন আপনার কাছের মানুষটিকে।

মানুষ সবার সাথে অভিনয় করতে পারলে ও নিজের
সাথে নিজে কখনো অভিনয় করতে পারে না..
তাই মানুষ আড়ালে কাঁদে...!




হয়তো তুমি একদিন ভুলে যাবে এই স্মৃতি গুলো
নতুন কোন স্মৃতির মাঝে হারিয়ে যাবে আমি নামক সেই দিন গুলো ,
কিন্তু তুমি থেকে যাবে আমার স্মৃতির সমস্ত অস্তিত্ব জোড়ে ,
আমার সমস্ত ভাবনা জোড়ে তুমিই থাকবে ।

আজ দূরে যেতে চাইছ
হারিয়ে যেতে চাইছ তুমি ,
মুক্ত করে দিলাম
হৃদয়ের যত ভালোবাসা আছে
নিয়ে চলে যাও ,
ভেবে নেব তুমি আমার নও
ছিলে না তুমি আমার কোনদিন !
ভাবছ কষ্ট পেয়েছি ??
কষ্ট সে তো তুমি পেয়েছ
ভাবছ কান্না করছি ,
কান্না সে তো তোমার চোখে ,
ভাবছ তোমাকে হারিয়েছি ,
                                                                                 ভুল তুমি আমাকে হারিয়েছ ,
                                                                                   যে তোমাকে ভালোবাসতো ,
                                                                                       যার কাছে তুমি ছিলে এক রঙ্গিন স্বপ্ন ,
                                                                                  ভেবে দেখ কে হারিয়েছে বেশী ,
                                                                                                            আমি না তুমি _____ 


 
বলবো না ভালো থেকো , জানি ভালো থাকবে বলেই
আজ চলে গেছ ,
তবুও চাই ভালোই থাক
যতটা ভালো থাকলে কোন কষ্ট তোমায় স্পর্শ করবে না , যতটা ভালো থাকলে তোমার
মনের কোনে কোন কষ্টের স্মৃতি জমা হবে না ,
ঠিক ততটা ভালো থেকো _____

Friday, May 10, 2013

পৃথিবীতে অধিকাংশ মানুষ এমন কাউকে মিস করে

যে তাকে মিস করে না...

দুর্ভাগ্যবশত আমিও তাদের মাঝে একজন

Miss you BABA a lot



“বড় একা আমি নিজের ছায়ার মত
শুন্যতার মত
দীর্ঘশ্বাসের মত
নিঃসঙ্গ বৃক্ষের মত
নির্জন নদীর মত
বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মত মৌন পাহাড়ের মত
আজীবন সাজাপ্রাপ্ত, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর মত
বড় একা আমি
বড় একা“

Wednesday, May 08, 2013


.........    ITS A VOICE OF FORBIDDEN SOUL    ..........



তৈলাক্ত বাঁশ ও পরিশ্রমী বানরের গল্পটি আর সমাপ্তি পায় না।
আমরা ক্রমাগত উঠতে থাকি, উঠতে উঠতে পিছলে যাই।
আমাদের জন্মক্ষণ, আমাদের ধর্ম কোনো কিছু বেছে নেয়ার অধিকার নেই।
সার্টিফিকেটে জন্মতারিখ বসাচ্ছেন মূর্খ স্কুল শিক্ষক,
কোথায় শ্রম দেব সেই সিদ্ধান্ত নেয় মামা-কাকার দল,
কাকে বিয়ে করব কি করব না, সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন রাশভারি অভিভাবক।

আমাদের ভাবনার দায় নিয়েছে কর্পোরেটরা,
তারা বলে দিচ্ছেন কোন পণ্য আমাদের প্রয়োজন, কোনটা দরকারি নয়।
রাষ্ট্র বলছে ভাতের বদলে আলু খেতে, কর্তৃপক্ষ বলছে চুপ থাকতে।

আমাদের কণ্ঠ চেপে ধরেছে সুশীলতার খসখসে মোড়ক।
আমরা ভাবতে শিখছি না, ভাবার ভান করছি ক্রমাগত।
বুকের মাঝে জন্ম নেয়া প্রশ্নগুলো গিলে ফেলছি গলার কাছেই।
আমাদের সম্পাদকরা নতজানু হন জাতীয় মসজিদে,
পান খাওয়া দাত বের করে কেউ একজন বলে দিচ্ছেন আমরা কী ভাবব, আর কী ভাবব না ।

আমাদের চিন্তার জালে তাই মাকড়সারা মৃত,
আমাদের নিউজপ্রিন্ট তাই সুশীল টয়লেট পেপার,
আমাদের দূরদর্শনের পর্দা মূর্খ মালিকের গায়িকা স্ত্রীর রঙঢং।

আশ্রয় ছিল আন্তর্জাল।
হায়, সেখানেও মুখের উপরে ক্রমাগত স্কচটেপ চেপে ধরছেন সুশীলের ঠিকাদাররা।
লিখতে চেয়েছিলাম অনেক কিছুই, কিন্তু কানের কাছে ক্রমাগত 'হাউস দ্যাট' চিৎকার করে যাচ্ছে মূর্খ ইতররা।
কেউ দরজায় আগল দিয়েছেন, কেউ ঘুম ভেঙ্গেই আমার সাজানো লেখাকে পাঠাচ্ছেন
কারাগারে।

এখনই উপযুক্ত সময় কিছু একটা করার।
এখনই তৈরি করতে হবে নিজের বাকভূম।
গলা ছেড়ে বলার মতো একটা মঞ্চ চাই, বুক ভরে টেনে নেয়ার জন্য চাই একটু বিশুদ্ধ
বাতাস।

আমারব্লগ.কম সেই প্রস্তুতি ও নিরীক্ষারই একটা পর্যায়।
এখানে কর্তৃপক্ষ বলে কিছু থাকছে না।
সাইটের জ্বালানি যারা আপাত: সরবরাহ করছেন তারা থাকবেন অন্ধ মূক ও বধির।
এখানে পূর্ব পরীক্ষা দিতে হয় না যোগ্যতার, মেধার, মননের।
ইগো দিয়ে ফুলানো আইনের বেলুন এখানে নাকের ডগায় ঝুলিয়ে রাখা হয় না নিরন্তর।

কথা হোক ইচ্ছেমতো।
যা বলা যায়, আর যায় না, সবই উঠে আসুক এখানে।
হোক প্রস্তাব, আলোচনা, তর্ক, বিতর্ক কিংবা গালাগালি।
নিজের পায়ে দাঁড়ান শক্ত হয়ে, অবস্থানকে রক্ষা করুন নিজ উদ্যোগে।
বাধা কিংবা সমর্থন

Post by khairul plabon 
me on Facebook   http://www.facebook.com/ikhairulplabon
  My current contact number is  +88-01683804644
If any problem do not hesitated to call me. THAT'S ALL